Skip to main content

মানব সভ্যতা বদলে দেয়া সাতটি ঔষধ

বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম।

আশা করি সবাই ভালো আছেন। বেশ
ক’দিন ধরে ব্যস্ত থাকায় আপনাদের নতুন
কিছু সম্পর্কে জানাতে পারছিলাম
না। তাই সময় করে আজ লিখতে বসে
গেলাম। আমি আজকে যে বিষয়ে
লিখছি, সেটা হলো ঔষধ বা দাওয়াই
যেটিকে ইংরেজীতে ম্যাডিসিন
(Medicine) বলা হয়। পৃথিবীতে আবিস্কৃত
বেশ কিছু ঔষুধ পৃথিবীর দিনই বদলে
দিয়েছে। এ রকমই কিছু ঔষুধ সম্পর্কে আজ
আমি আলোচনা করবো।

আফিমঃ
আফিম এমন একটি জিনিস যা সমর্কে
মোটামুটি সবাই জানেন? রাজনীতি,
অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ
থেকে আফিম একটি গুরুত্বপূর্ণ ঔষুধ
হিসেবে পরিচিত। মানসিক অস্থিরতা
ও বেদনানাশক ঔষুধ হিসেবে এখনও
আফিম অনেক জায়গায় বহুলভাবে
ব্যবহার হচ্ছে।

গুটিবসন্ত টিকাঃ
অ্যাডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৮ সালে
স্যাঁত-স্যাঁতে অঞ্চলে গো-বসন্ত দূর
করার জন্য প্রথম টিকা তৈরী করেন।
পরে এই টিকা গুটিবসন্তের প্রতিষেধক
হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়। ১৮৫৫ সালে
মান্ট্রিয়েলে হঠাৎ ট্রেন-
ভ্রমনকারীদের মধ্যে গুটিবসন্ত
মহামারীরুপে দেখা দিলে আক্রান্ত
যাত্রীদের দ্রুত এই প্রতিষেধক দেওয়া
হয়।

স্যালভারসানঃ
১৯১০
সালে পাওয়েল হারলিস সিফিলিস
রোগের সংক্রমণের প্রতিরোধে
স্যালভারসন প্রতিষেধক হিসেবে প্রথম
পরিচয় করিয়ে দেন। তাঁর এই বৈপ্লবিক
উদ্ভাবণের জন্য এখন তাঁকে
কেমোথেরাপির জনক বলা হয়।

ইনসুলিনঃ
১৯২০
সালের শুরুর দিকের কথা। ফ্রেডরিক
বেন্টিং এবং তাঁর সহকর্মীরা না
খেয়ে থাকা বহুমুত্র রোগীদের শরীর
থেকে ইনসুলিন হরমোন আলাদা করেন।
তার আগে অল্প কিছু ঔষুধ ছিল, যা কি
না অনেক রোগীই উপশমে কাজে
লেগেছিল। ইনসুলিন এখন ডায়াবেটিস
নিয়ন্ত্রণের প্রধান ঔষুধ হিসেবে
ব্যবহার হয়।

পেনিসিলিনঃ
পেনিসিলিন আবিস্কৃত হয় ১৯২৮ সালে,
কিন্তু তখন এটিকে হেলাফেলা করা
হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়
আবার নতুন করে এই প্রতিষেধকটি
রোগসংক্রমিত একটি রেঞ্জের
সেনাসদস্যদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা
হয়। তারপর থেকে পেনিসিলিন ব্যবহার
হচ্ছে নানান রোগের চিকিৎসায়।

ইনোভিডঃ
১৯৬০
সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইনোভিড নামের
একটি জন্মনিরোধক ঔষুধ আবিস্কৃত
হয়েছিল। আর এই বড়ির উদ্ভবের ফলে
ঘটে যায় এক বিপ্লব। ১৯৭০ সালে এটা
যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা সমস্যা দূর করার
কাজে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এটা সে
সময় অনেক স্বাস্থ্য-বিশেষজ্ঞ এটির
বিরোধিতা করেছিলেন। বর্তমান
সময়ে জন্ম নিয়ন্ত্রনের জন্য এটাই
সবচেয়ে উন্নত পদ্ধতি।

থ্যালিডোমাইডঃ
মানসিক অস্থিরতা দমনের এই ঔষুধ
আবিস্কার হয় ১৯৫০ সালের শেষ ও ১৯৬০
সালের শুরুর দিকে। গর্ভকালীন সময়ে
অনেকে ঔষুধটি সেবন করেছিলেন।
ফলে তাদের শিশুরা মৃত্যুর দুয়ার থেকে
ফিরে এসেছিল কল্পনাতীতভাবে।
চিকিৎসাবিদ্যার যখন চরম দুর্ভোগ, তখন
এটি একটি আমূল পরিবর্তন এনেছিল
পৃথিবীতে। ১৯৯০ সালে
থ্যালিডোমাইডকে নতুন ভাবে কুষ্ঠ ও
অন্যান্য রোগের চিকিৎসার জটিলতা
দূর করার কাজে ব্যবহার করা শুরু হয়।

Comments

Popular posts from this blog

হযরত ইমাম গাজ্জালী (রঃ) এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

ইমাম গাজ্জালী রঃ এর নাম আসল নাম আবু হামিদ মুহম্মদ।তাহার পিতার ও পিতামহ উভয়ের নামই মুহম্মদ। তিনি খোরাসানের অন্তর্গত তুস নগর এর গাজালা নামক স্থানে জন্ম গ্রহন করেন। তাই স...

অলিভার বাক্সটার : মা হয়ে গেলেন বাবা

সন্তানরা একদিন যাকে ‘মা’ বলে জানত, তাকেই এখন ‘বাবা’ ডাকতে হচ্ছে। মা থেকে বাবায় বদলে যাওয়া ওই নারীর নাম অলিভার বাক্সটার। দুনিয়া যাকে এক সুন্দরী মডেল বলেই জানে। আসলে নিখ...

আমার সংগ্রহে থাকা সকল স্যামসাং মোবাইল এর গোপন কোড

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে স্বাগতম । আমার সংগ্রহে থাকা সকল স্যামসাং মোবাইল এর গোপন কোড আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম । আশা করি আপনাদের অনেকের কাজে লাগবে Samsung Mobile Phone Secret Codes For all 1. *2767*JAVA# Java Reset and (Deletes all Java Midlets) 2. *2767*MEDIA# Reset Media (Deletes All Sounds and Pics) 3. *2767*WAP# Wap Reset 4. *2767*CUST# Reset Custom EEPR0M 5. *2767*FULL# Reset Full EEPR0M (Caution) 6. For example : *2767*JAVA# would be keyed in as *2767*5282# Note : Not all codes will work with SGH-C100. Other Samsung Codes 1. 1. *#06# IMEI code 2. *#9998*4357# Help Menu 3. *#9998*5282# Java menu (GRPS/CSD settings for JAVA server) 4. *#9999#0# Monitor Mode 5. *#9999# or *#9998*9999# Software Version 6. *#8888# or *#9998*8888# Hardware Version 7. *#9998*746# or *# 9998*0746# or *#0746# Sim Infos 8. *#9998*523# or *# 9998*0523# or *#0523# Display Contrast 9. *#9998*842# or *# 9998*0842# or *#0842# Vibration On (until you push OK) 10. *#9998*289# or *# 9998*0289# or *#0289# Buzzer O...