বৈকাল; রাশিয়ার সাইবেরিয়ার
দক্ষিণভাগে অবস্থিত একটি
সুপেয় পানির হ্রদ। এর উত্তর-
পশ্চিম অংশ ইর্কুৎস্ক ওবলাস্ত
এবং দক্ষিণ-পূর্ব অংশ বুরিয়াত
প্রজাতন্ত্রে পড়েছে। হ্রদটির
আয়তন প্রায় ৩১,৫০০
বর্গকিলোমিটার। এটি বিশ্বের
গভীরতম হ্রদ। এর সর্বাধিক গভীরতা
১,৬৩৭ মিটার। তিনশোরও বেশি নদীর
পানি এসে এই হ্রদে পড়েছে। কেবল
মাত্র নিম্ন আঙ্গারা নদীর
মাধ্যমে হ্রদের পানি বাইরে
নিষ্কাশিত হয়। প্রকৃতির এক
আশ্চর্য বিস্ময় এই হ্রদটি
মৎস্যসম্পদে সমৃদ্ধ এবং এর
আশেপাশের অরণ্য অঞ্চল
জীববৈচিত্র্যের এক বিপুল
প্রাকৃতিক সম্ভার। বৈকাল হ্রদ
এলাকায় ১৭০০-রও বেশি প্রজাতির
উদ্ভিদ ও প্রাণী আছে, যাদের দুই-
তৃতীয়াংশ পৃথিবীর অন্য কোথাও
পাওয়া যায় না। বৈকাল হ্রদের
পানি অত্যন্ত অক্সিজেনসমৃদ্ধ;
হ্রদের পাঁচ হাজার ফুট গভীরেও
জলজ প্রাণীর বাস আছে। ১৯৯৬ সালে
এটিকে একটি ইউনেস্কো বিশ্ব
ঐতিহ্যবাহী স্থান ঘোষণা করা
হয়।
সেই বৈকালের পাশেই চব্বিশ
হাজার বছর ধরে শুয়ে ছিল সে | তিন-
বছরের এক বালক |
অ্যানথ্রোপলজিস্টদের খননে
পাথরের তলা থেকে বেরিয়ে
এসেছে | তার DNA পরীক্ষা
বিজ্ঞানীদের সামনে এনেছে
তথ্যের নতুন দিগন্ত |
এই বালকের DNA মিলে গিয়েছে
আধুনিক পশ্চিম ইউরোপীয়দের
সঙ্গে | এর থেকে বিজ্ঞানীরা
মনে করছেন গত তুষার যুগের শেষ
দিকেই আজকের ইউরোপ থেকে মানুষ
পাড়ি দিয়েছিল এশিয়ার উদ্দেশে |
ইউরেশিয়া পার করে |
জিন পরীক্ষার পাশাপাশি চেষ্টা
করা হচ্ছে ওই বালকের চেহারা
কিছুটা আন্দাজ পাওয়ার | যদিও তার
দেহে চুল বা মাংস কিছু অবশিষ্ট
নেই তবু বিজ্ঞানীদের ধারনা, সেই
আদি মানবের চুল আর চোখের মণি
ছিল বাদামি | ত্বক ছিল ফাটা
ফাটা |
এছাড়া DNA থেকে উঠে এসেছে আর
একটি চমকে দেওয়ার মতো বিষয় |
সাইবেরিয়ার বালকের জিনের
সঙ্গে প্রায় ২৫ % মিল পাওয়া
গিয়েছে আজকের আমেরিকার
আদিবাসীদের জিনের সঙ্গে | এর
আগেই বিজ্ঞানীদের ধারনা ছিল
সাইবেরিয়া এবং পূর্ব এশিয়ার
মানুষের বংশধররাই প্রথম পা
রেখেছিল আমেরেইকায় |
এখন বিজ্ঞানীরা মনে করছেন
পশ্চিম ইউরোপ থেকে মানুষ পা
রেখেছিল সাইবেরিয়ায় | তারপর
তাদের সঙ্গে পূর্ব এশিয়ার
মানুষের মিলনে উদ্ভূত নতুন
উত্তরপুরুষরা প্রথম পৌঁছেছিল
আমেরিকা মহাদেশে |
তবে এটা আবার প্রমাণিত হল
সৃষ্টির ঊষালগ্নেও মানুষ সাজতে
ভালবাসত | গয়না পরত | সাইবেরিয়ার
বালকের পরনে হাতির দাঁতের
নেকলেস, পেনডেন্ট আর অন্য গয়না
মিলেছে | গলার পেনডেন্ট আবার
দেখতে পাখির মতো |
আদিম মানুষের দেহাবশেষের
সন্ধান মিলেছিল | প্যালিওলিথিক
যুগের ইউরোপিয় জনজাতির
দেহাবশেষ | ১৯৫৮ সালে পাওয়া সেই
অবশিষ্ট রাশিয়ার সেন্ট
পিটসাবার্গের জাদুঘরে রাখা
আছে।
ইমাম গাজ্জালী রঃ এর নাম আসল নাম আবু হামিদ মুহম্মদ।তাহার পিতার ও পিতামহ উভয়ের নামই মুহম্মদ। তিনি খোরাসানের অন্তর্গত তুস নগর এর গাজালা নামক স্থানে জন্ম গ্রহন করেন। তাই স...
Comments
Post a Comment