আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তার
কিছু অংশ দাঁতের
চারপাশে জমে থাকে। যদি দাঁত
পরিষ্কার না করা হয় তবে এসব
খাদ্যকণা দাঁতের আবরণের উপর শক্ত
হয়ে জমা হয়ে পাথরের মতো সৃষ্টি করে।
এসব পাথর দীর্ঘদিন
দাঁতে জমে থাকলে দাঁত ও মাড়ির
বিভিন্ন রোগ, মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া,
মুখের দুর্গন্ধ, দাঁত শিরশিরসহ অনেক ধরনের
সমস্যা হতে পারে। ফলে পড়তে হয়
স্বাস্থ্যের পাশাপাশি নানা রকম
সামাজিক বিড়ম্বনায়। দাঁতে পাথর
জমলে দেরি না করে দন্ত চিকিৎসকের
কাছে গিয়ে স্কেলিং করাতে হবে।
দাঁত ও মাড়ির সুস্বাস্থ্যের জন্য
স্কেলিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি ৬ মাস
অন্তর দন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন
হওয়া উচিত। দাঁতের সবচেয়ে বাহ্যিক
আবরণের নাম এনামেল। এনামেল
সংবেদনশীল নয়। কারণ
এতে কোনো ধরনের স্নায়ু থাকে না।
কিন্তু এনামেলের ঠিক নিচের
যে আবরণ তার নাম ডেন্টিন,
যা সংবেদনশীল। সাধারণত যদি ভুল
পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করা হয় তখন দন্তক্ষয়
হতে পারে। মুখ ও দাঁতের
সঠিকভাবে যত্ন
না নিলে খাদ্যকণা দাঁত এবং মাড়ির
চারপাশে জমে থেকে, দাঁতের
চারপাশে পাথর
তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এ
পাথরগুলো সময়মতো পরিষ্কার
না করলে দাঁত আবৃত
করে রেখেছে যে মাড়ি সেই
মাড়িকে নিচের দিকে ঠেলে দেয়।
ফলে দাঁতের যে শিকড় তা বের
হয়ে আসে। দাঁতের শিকও সংবেদনশীল।
উপরোক্ত সমস্যার কারণে দাঁত শিরশির
করতে পারে। ঠাণ্ডা বা গরম পানি,
মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে আরও
বেশি শিরশির করে। যেহেতু
এগুলো সমস্যা তাই সমাধান অতীব জরুরি।
আর সঠিকভাবে যত্ন নেওয়াটাই এর
প্রতিকার।
ডা. মো. খোরশেদ আলম বিডিএস (ডিইউ),
পিজিটি, পিএইচডি (জাপান)
সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান,
অর্থোডেনটিকস বিভাগ বাংলাদেশ
ডেন্টাল কলেজ।
Comments
Post a Comment