প্লাজমোডিয়াম, ফেলসিপেরাম*,
ভাইভক্স, ওভালে অথবা ম্যালেরি এর
যেকোনো একটি জীবানু বহনকারী
মশার দংশন থেকে এ রোগ হয়।
লক্ষনঃ খুব উচ্চ তাপমাত্রায় (চল্লিশ
ডিগ্রি ফাঃ পর্যন্ত) কাঁপুনি দিয়ে জ্বর
আসা এবং তা ঘাম দিয়ে ছেড়ে
যাওয়া। জ্বর আসা যাওয়া নিয়মিত ও
নির্দিষ্ট বিরতিতে (যেমন ১ দিন পর পর
৩-৪ ঘন্টা দীর্ঘ) হতে পারে তবে এটা
ঠিক কোন জীবানু টি আক্রমণ করেছে
তার উপর নির্ভরশীল।
পরীক্ষাঃ রক্তের ব্লাড ফিল্ম নামক
পরীক্ষাটি দ্বারা জীবানু নিশ্চিত
করা যায়।
চিকিৎসাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ
অনুযায়ী ক্লোরোকুইন, কুইনাইন,
ফেন্সিডার ইত্যাদি নির্দিষ্ট নিয়মে
সেবন করতে হয়।
জটিলতাঃ রক্ত শুন্যতা, প্লিহা (Spleen)
বড় হয়ে যাওয়া, কোমা সহ মৃত্যু পর্যন্ত
হতে পারে।
প্রতিরোধঃ কোনো অঞ্চলে
ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব থাকলে সে
স্থানে যাবার আগে চিকিৎসকের
পরামর্শ অনুযায়ী কলোরোকুইন বা
প্রগুয়ানিল জাতীয় ঔষধে এ রোগের
প্রকোপ থেকে বাচা যায়।
Comments
Post a Comment